category PLID

মহিলাদের কোমর ব্যথার কারণ, চিকিৎসা, ব্যায়াম ও প্রতিরোধের সম্পূর্ণ গাইড

Dr. Shah AlamBy Dr. Shah Alam
calendar_todayJuly 7, 2026
schedule7 min read
Article Cover

মহিলাদের কোমর ব্যথার কারণ, চিকিৎসা, ব্যায়াম ও প্রতিরোধের উপায়

বর্তমান সময়ে কোমর ব্যথা শুধু বয়স্কদের নয়, বরং তরুণী, গৃহিণী, চাকরিজীবী নারী এবং গর্ভবতী মায়েদের মধ্যেও একটি অত্যন্ত সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা। বিশ্বব্যাপী কোটি কোটি মানুষ লোয়ার ব্যাক পেইন বা Lower Back Pain-এ ভুগছেন এবং এটি কর্মক্ষমতা কমে যাওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ। বাংলাদেশেও কর্মব্যস্ত জীবন, দীর্ঘ সময় বসে কাজ করা, গৃহস্থালির শারীরিক পরিশ্রম এবং অনিয়মিত জীবনযাপনের কারণে মহিলাদের কোমর ব্যথার হার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ধরুন, মিসেস আরমিন সুলতানা একটি কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। প্রতিদিন ৮–১০ ঘণ্টা কম্পিউটারের সামনে বসে কাজ করার কারণে তিনি প্রথমে নিচের কোমর ব্যথা অনুভব করেন। শুরুতে বিষয়টিকে গুরুত্ব না দিলেও কয়েক মাস পর ব্যথা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। দীর্ঘ সময় বসে থাকলে কোমর শক্ত হয়ে যেত, মাঝে মাঝে ব্যথা নিতম্ব হয়ে পায়ের দিকে ছড়িয়ে পড়ত (যা সায়াটিকার লক্ষণ)। অবশেষে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে তিনি জানতে পারেন, দীর্ঘদিনের ভুল অঙ্গভঙ্গি এবং দুর্বল ব্যাক মাসলই তার সমস্যার অন্যতম কারণ।

এ ধরনের অভিজ্ঞতা শুধু একজনের নয়। সঠিক সময়ে কারণ নির্ণয়, জীবনযাপনের পরিবর্তন, নিয়মিত ব্যায়াম এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসা গ্রহণ করলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দীর্ঘদিনের কোমর ব্যথা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

কোমর ব্যথা কী?

কোমরের নিচের অংশ বা লাম্বার স্পাইন (Lumbar Spine)-এ অনুভূত ব্যথাকে কোমর ব্যথা বলা হয়। এটি কখনও শুধু কোমরেই সীমাবদ্ধ থাকে, আবার কখনও নিতম্ব, উরু বা পায়ের দিকে ছড়িয়ে যেতে পারে। ব্যথা কয়েক দিন স্থায়ী হতে পারে (Acute Back Pain), আবার কিছু ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি সমস্যায় (Chronic Low Back Pain) পরিণত হয়।

মহিলাদের কোমর ব্যথার প্রধান কারণ

নারীদের শারীরিক গঠন ও জীবনযাপনের কারণে কোমরের ব্যথা হওয়ার পেছনে কিছু স্বতন্ত্র কারণ কাজ করে। নিচে এগুলো আলোচনা করা হলো:

অফিসে বসে কাজ করলে কোমর ব্যথা কেন হয়?

অফিস, ব্যাংক বা আইটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করা অনেক নারী প্রতিদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা একটানা বসে থাকেন। দীর্ঘ সময় একই ভঙ্গিতে বসে থাকলে স্পাইনাল ডিস্ক ও পেশির ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। ফলে কোমর শক্ত হয়ে যায় এবং ধীরে ধীরে ব্যথা শুরু হয়।

  • করণীয়: প্রতি ৩০–৪৫ মিনিট পর উঠে ২–৩ মিনিট হাঁটুন। কোমর সোজা রেখে বসুন এবং চেয়ারের পিঠে ভালো সাপোর্ট ব্যবহার করুন। 

গৃহস্থালির ভারী কাজ ও পেশির টান

বাংলাদেশের অধিকাংশ নারী প্রতিদিন রান্না, কাপড় ধোয়া, ঘর পরিষ্কার, পানি বহন এবং শিশুকে কোলে নেওয়ার মতো কাজ করেন। এসব কাজ বারবার ঝুঁকে বা ভুল ভঙ্গিতে (Poor Posture) করলে কোমরের পেশি ও লিগামেন্টে অতিরিক্ত চাপ পড়ে।

ওজন বেশি হলে কোমর ব্যথা কেন হয়?

অতিরিক্ত ওজন মেরুদণ্ড এবং কোমরের ডিস্ক-এর ওপর সরাসরি চাপ সৃষ্টি করে। বিশেষ করে পেটের অতিরিক্ত চর্বি শরীরের ভারসাম্য নষ্ট করে এবং কোমরের স্বাভাবিক বক্রতা পরিবর্তন করে। এর ফলে পেশিতে টান এবং ডিস্ক প্রোলাপ্সের ঝুঁকি বাড়ে।

গর্ভাবস্থায় কোমর ব্যথার কারণ

গর্ভাবস্থায় শিশুর ওজন বৃদ্ধি, হরমোনের পরিবর্তন (Relaxin hormone) এবং শরীরের ভারকেন্দ্র পরিবর্তনের কারণে গর্ভাবস্থায় কোমর ব্যথা (Pregnancy Back Pain) খুবই সাধারণ একটি সমস্যা। 

প্রসবের পর কোমর ব্যথা কেন হয়?

প্রসবের পরে শিশুকে কোলে নেওয়া, বারবার নিচু হওয়া, পর্যাপ্ত বিশ্রামের অভাব এবং কোর মাসলের দুর্বলতার কারণে অনেক মা প্রসবের পর কোমর ব্যথায় (Postpartum Back Pain) দীর্ঘদিন ভোগেন।

ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি

শরীরে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি কম থাকলে হাড় দুর্বল হয়ে যায় এবং অস্টিওপোরোসিসের (Osteoporosis) ঝুঁকি বাড়ে। এর ফলে সামান্য আঘাতেও কোমরে ব্যথা হতে পারে।

মাসিক ও হরমোনজনিত পরিবর্তন

মাসিকের আগে বা চলাকালীন অনেক নারীর কোমরে ব্যথা অনুভূত হয়। হরমোনের ওঠানামা এবং পেলভিক পেশির টানের কারণে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে।

(ইমেজ প্লেসমেন্ট ২: নারীদের কোমর ব্যথার প্রধান কারণগুলোর একটি ইনফোগ্রাফিক) Alt Tag: মহিলাদের কোমর ব্যথার কারণ, গর্ভাবস্থা ও ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি

নিচের কোমর ব্যথার লক্ষণ

  • কোমরের নিচে বা লাম্বার ভার্টিব্রে-তে ব্যথা
  • দীর্ঘক্ষণ বসে বা দাঁড়ালে ব্যথা বৃদ্ধি
  • সামনে ঝুঁকতে সমস্যা
  • পায়ে ব্যথা ছড়িয়ে যাওয়া (স্নায়ুর ওপর চাপ বা নার্ভ কম্প্রেশন)
  • পায়ে ঝিনঝিন বা অবশ ভাব
  • কোমর শক্ত হয়ে যাওয়া (Muscle Spasm)
  • সকালে ঘুম থেকে উঠে অস্বস্তি

কোমর ব্যথা হলে কোন ডাক্তার দেখাবেন? (কখন দ্রুত যাবেন)

নিচের যেকোনো লক্ষণ থাকলে দ্রুত একজন অর্থোপেডিক স্পেশালিস্ট (Orthopedic Specialist) বা স্পাইন সার্জনের পরামর্শ নিন—

  • ব্যথা ৪–৬ সপ্তাহের বেশি থাকলে
  • ব্যথা পায়ে ছড়িয়ে গেলে
  • পায়ে দুর্বলতা দেখা দিলে
  • প্রস্রাব বা পায়খানা নিয়ন্ত্রণে সমস্যা হলে
  • দুর্ঘটনার পরে কোমর ব্যথা শুরু হলে
  • জ্বর বা অকারণে ওজন কমার সঙ্গে ব্যথা থাকলে

কোমর ব্যথার চিকিৎসা

দীর্ঘদিনের কোমর ব্যথার চিকিৎসা রোগের কারণ অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে।

ওষুধ: চিকিৎসক প্রয়োজনে ব্যথানাশক, পেশি শিথিলকারী বা নার্ভ প্রশমক ওষুধ দিতে পারেন। নিজে থেকে দীর্ঘদিন ওষুধ সেবন করা উচিত নয়।

কোমর ব্যথায় ফিজিওথেরাপির ভূমিকা: ফিজিওথেরাপি কোমর ব্যথার অন্যতম কার্যকর চিকিৎসা। এতে স্ট্রেচিং এক্সারসাইজ, কোর স্ট্রেংথেনিং, পোস্টার সংশোধন এবং ব্যক্তির সমস্যার ধরন অনুযায়ী বিভিন্ন থেরাপি অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

যোগব্যায়াম: সঠিক নিয়মে এবং বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী যোগব্যায়াম করলে কোমরের পেশি শক্তিশালী হয়, নমনীয়তা বৃদ্ধি পায় এবং দীর্ঘদিনের কোমর ব্যথা কমাতে সহায়তা করতে পারে। তবে তীব্র ব্যথা, পায়ে ব্যথা ছড়িয়ে যাওয়া বা ডিস্কের গুরুতর সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ব্যায়াম বা যোগব্যায়াম শুরু করা উচিত নয়।

কোমর ব্যথার জন্য ব্যায়াম (কোমর ব্যথায় কোন ব্যায়াম ভালো?)

কোমর ব্যথা কমানোর সবচেয়ে সহজ উপায় হলো নিয়মিত ব্যায়াম। তবে কোমর ব্যথায় কোন ব্যায়াম করা উচিত তা জেনে নেওয়া জরুরি:

১. ক্যাট-কাউ স্ট্রেচ (Cat-Cow Stretch): এই যোগব্যায়ামটি মেরুদণ্ডের নমনীয়তা বাড়ায় এবং ব্যাক মাসলের শক্তভাব কমায়। (চার হাত-পায়ে ভর দিয়ে শ্বাস নিয়ে পিঠ নিচে-উপরে করুন। ১০–১৫ বার করুন।)

 ২. পেলভিক টিল্ট (Pelvic Tilt): কোমরের গভীর পেশি বা কোর মাসল শক্তিশালী করতে এটি দারুণ। (চিত হয়ে হাঁটু ভাঁজ করে কোমর মেঝের দিকে চাপুন। ৫ সেকেন্ড ধরে ১০–১৫ বার করুন।)

৩. চাইল্ড পোজ (Child Pose): এটি কোমরের পেশি প্রসারিত করে এবং তীব্র ব্যথা কমাতে সহায়তা করে।

৪. কোবরা স্ট্রেচ (Cobra Stretch): হালকা ব্যথায় উপকারী। তবে ব্যথা যদি পায়ে ছড়িয়ে যায়, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া করবেন না।

৫. ব্রিজ এক্সারসাইজ (Bridge Exercise): কোমর, নিতম্ব এবং কোর পেশি শক্তিশালী করতে এই ব্যায়ামটি খুব ভালো কাজ করে। 

কোমর ব্যথা কমানোর ঘরোয়া উপায় ও প্রতিরোধ

কোমর ব্যথা প্রতিরোধের উপায় হিসেবে কিছু জীবনযাপনের অভ্যাস পরিবর্তন করা জরুরি:

  • দীর্ঘ সময় একভাবে বসে থাকবেন না।
  • ভারী জিনিস তোলার সময় কোমরের বদলে হাঁটু ভাঁজ করে তুলুন।
  • প্রতিদিন ৩০ মিনিট হাঁটুন (কোমর ব্যথায় হাঁটা অত্যন্ত উপকারী)।
  • স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখুন।
  • কোমর ব্যথায় কী খাবেন: ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খান।
  • আরামদায়ক জুতা ব্যবহার করুন এবং পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করুন।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQs)

কোমর ব্যথা কেন হয়?

উত্তর: দীর্ঘ সময় বসে থাকা, ভুল অঙ্গভঙ্গি, অতিরিক্ত ওজন, পেশির দুর্বলতা, ডিস্ক হার্নিয়েশন বা স্পাইনাল নার্ভে চাপ পড়ার কারণে কোমর ব্যথা হতে পারে।

মহিলাদের কোমর ব্যথার কারণ কী?

উত্তর: নারীদের ক্ষেত্রে গৃহস্থালির ভারী কাজ, গর্ভাবস্থা, প্রসবোত্তর পরিবর্তন, হরমোনের তারতম্য এবং অস্টিওপোরোসিস বা ক্যালসিয়ামের ঘাটতি প্রধান কারণ।

কোমর ব্যথা হলে কী করা উচিত?

উত্তর: প্রথমে তীব্র ব্যথা হলে ১-২ দিন বিশ্রাম নিন। ব্যথা কমলে হালকা স্ট্রেচিং ও হাঁটা শুরু করুন। ব্যথা কমছে না পেলে অর্থোপেডিক ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

কোমর ব্যথা কমানোর দ্রুত উপায় কী?

উত্তর: বরফ বা গরম সেঁক দেওয়া, ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যথানাশক ওষুধ এবং সঠিক পোস্টারে বিশ্রাম নেওয়া হলো দ্রুত ব্যথা কমানোর উপায়।

কোমর ব্যথায় হাঁটা কি ভালো?

উত্তর: হ্যাঁ, হালকা থেকে মাঝারি কোমর ব্যথায় চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত হাঁটা উপকারী। তবে তীব্র ব্যথার সময় বিশ্রাম নেওয়া উচিত।

কোমর ব্যথায় এমআরআই কখন করতে হয়?

উত্তর: সব কোমর ব্যথার জন্য এমআরআই দরকার হয় না। তবে পায়ে ব্যথা ছড়ানো, পেশির দুর্বলতা বা স্নায়ুর গুরুতর ক্ষতির সন্দেহ থাকলে বিশেষজ্ঞ এমআরআই করার পরামর্শ দেন। (ইন্টারনাল লিংক: "কোমর ব্যথায় MRI দরকার কখন?" আর্টিকেলে লিংক দিন)

কোমর ব্যথায় অপারেশন কখন লাগে?

উত্তর: যদি স্নায়ুর ওপর গুরুতর চাপ, পায়ে দুর্বলতা, বা কোমর ব্যথা ও PLID (স্লিপ ডিস্ক) এর মারাত্মক অবস্থা থাকে এবং অন্যান্য চিকিৎসায় উপকার না হয়, তাহলে স্পাইন সার্জন অপারেশনের কথা বিবেচনা করেন। (ইন্টারনাল লিংক: "কোমর ব্যথা ও PLID এর পার্থক্য" আর্টিকেলে লিংক দিন)

কোমর ব্যথা কত দিনে ভালো হয়?

উত্তর: সাধারণ বা একিউট কোমর ব্যথা সাধারণত ২ থেকে ৬ সপ্তাহের মধ্যে ভালো হয়ে যায়। তবে ক্রনিক ব্যথায় চিকিৎসায় বেশি সময় লাগতে পারে।

গর্ভাবস্থায় কোমর ব্যথা স্বাভাবিম কি?

উত্তর: হ্যাঁ, গর্ভাবস্থায় শারীরিক পরিবর্তনের কারণে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কোমর ব্যথা স্বাভাবিম। তবে অত্যধিক ব্যথা হলে গাইনি বা অর্থোপেডিক ডাক্তার দেখানো উচিত।

কোমর ব্যথায় কোন খাবার উপকারী?

উত্তর: দুধ, দই, পনির, সামুদ্রিক মাছ, কলিজা, সবুজ শাকসবজি এবং ডিম—এগুলোতে প্রচুর ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও প্রোটিন থাকে যা হাড় ও পেশির জন্য খুব উপকারী।

 

মহিলাদের কোমর ব্যথা একটি সাধারণ সমস্যা হলেও এটি অবহেলা করা উচিত নয়। সঠিক কারণ নির্ণয়, নিয়মিত কোমর ব্যথার ব্যায়াম, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যমে অধিকাংশ কোমর ব্যথা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। যদি ব্যথা দীর্ঘদিন থাকে বা পায়ে ছড়িয়ে যায়, তাহলে দ্রুত একজন অর্থোপেডিক্স বিশেষজ্ঞ বা ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

আপনার যদি কোমরে তীব্র ব্যথা হয়ে থাকে, তবে অবশ্যই একজন অর্থোপেডিক স্পাইন সার্জন, নিউরোসার্জন অথবা সরাসরি আমাদের চেম্বারে কনসাল্টেশন নিন।

 

 ডা. মো. শাহ্‌ আলম
এমবিবিএস, ডি. অর্থো (বি.এস.এম.এম.ইউ)
অর্থোপেডিক্স বিশেষজ্ঞ ও ইয়োগা ইন্সট্রাকটর
Founder, Yoga With Doctor

TruCare Diagnostics Centre
৪৯ মহাখালী, সিদ্দিক টাওয়ার (৫ম তলা), ঢাকা

অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে কল করুন :
09613-668866
01701-313001 | 01701-313002

সকাল ১০:০০ টা – রাত ১১:০০ টা

সতর্কতা: এই আর্টিকেলটি শুধুমাত্র সচেতনতামূলক তথ্যের জন্য। কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

 

 

Share this article:
Dr. Shah Alam
check_circle

About the Author

Dr. Shah Alam

Dr. Alam is a renowned Orthopedic Specialist with over 15 years of experience treating musculoskeletal disorders. He combines modern medical science with holistic lifestyle adjustments to help patients achieve long-term recovery.

View Full Profilearrow_forward

Need Personalized Medical Advice?

While these articles provide general guidance, every body is unique. Book a consultation for a thorough assessment and a tailored recovery plan.

Book Appointment calendar_month